আখের গুড়

৳ 95৳ 100 (-5%)

Sold By: admin2020

In stock

 

গুড় হল এক ধরণের মিষ্টিকারক যা আখ থেকে তৈরি করা হয়। এটিকে চিনির একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে ধরা হয় কারণ এটি অপরিশোধিত। যদিও মধু এবং গুড়ে সমপরিমাণ ক্যালোরি থাকে, গুড়কে তুলনামূলকভাবে বেশি ভাল মনে করা হয় কারণ এতে ভিন্ন প্রকারের ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে যেগুলি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বলে গণ্য হয়।

গুড় সাধারণত তিন ধরণের পাওয়া যায়-নিরেট, তরল এবং মিহি। তরল গুড় মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিমবঙ্গের অনেক অংশে খুবই জনপ্রিয়, আবার মিহি গুড় গ্রামীণ লোকজনের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়। গুড় বিভিন্ন রঙের হয় এবং এটি সোনালী বাদামী থেকে গাঢ় বাদামী রঙের হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল যে গুড় যত গাঢ় হবে ততটাই সমৃদ্ধ এবং গভীর হবে এর স্বাদ।

দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গুড় খাওয়া হয়। গুড় ব্যাপকভাবে নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার স্থানীয় রান্নায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি ভারতীয় রন্ধনশিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। সাম্বার এবং রসম তৈরি করা সময় এক চিমটি গুড় ব্যবহার করা হয় এগুলির স্বাদ উন্নত করার জন্য। চিক্কি, যেটি ছোট এবং বড়দের মধ্যে সমান জনপ্রিয়, তৈরি হয় চীনাবাদাম এবং গুড় দিয়ে। গুড় ব্যবহার করা হয় মিষ্টি, মদজাতীয় পানীয়, চকলেট, ক্যান্ডি, টনিক, সিরাপ, শরবত, কেক ইত্যাদি তৈরি করতে। মহারাষ্ট্র সারা বিশ্বে গুড়ের সবচেয়ে বড় উৎপাদক। আমেরিকা, এশিয়া, এবং আফ্রিকায় বৃহৎ পরিমাণে গুড় খাওয়া হয়। আখের গুড়, খেজুরের গুড়, তালের গুড়, তাড়ির গুড় ইত্যাদির মত বিভিন্ন ধরণের গুড় পাওয়া যায়।

গুড়ের প্রচুর স্বাস্থপকারিতা রয়েছে। আয়ুর্বেদিক এবং প্রথাগত চিকিৎসায় গুড়ের একটি বিশিষ্ট জায়গা আছে। লোহায় সমৃদ্ধ থাকার কারণে এটি রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে। খাওয়ার পর সামান্য পরিমাণে গুড় খেলে তা আপনার হজমে সাহায্য করে বলে জানা যায়। মরিচের সাথে গুড় খেলে তা আপনার খিদে বাড়ায়। আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, গুড়ের নিয়মিত সেবন আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। গুড় ব্রণ নিরাময় করে এবং শারীরিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। খনিজ লবণের সাথে গুড় খেলে চোয়া ঢেকুর সারানো যায়।

গুড়ের ব্যপারে কিছু মৌলিক তথ্যঃ

  • বোটানিক্যাল নামঃ গুড় হল আখের অর্থাৎ সাখারাম অফিসিনারাম-এর একটি উপজাত পণ্য।
  • পরিবারঃ পোয়াসি (আখের জন্য)
  • প্রচলিত নামঃ গুড়
  • সংস্কৃত নামঃ গুড়/শর্করা

গুড় খেলে পাবেন ১০ উপকার

শুধু পিঠে-পুলি, পায়েস বা মিষ্টিজাতীয় খাবার বানানোর জন্যই নয়, গুড়ের রয়েছে হাজারও রকম উপকারিতা। গুড় শরীর সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। গরমকালে শসা বা তরমুজের মতোই শীতকালে গুড় শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এখানেই শেষ নয় গুড়ে রয়েছে আরও একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা। 

এবারে জেনে নিন গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে ...

১. গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

২.  গুড়ে আছে উচ্চ মানের ক্যালোরিফিক যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।

৩. ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে গুড়।

৪. গুড়ে থাকে নানান খনিজ উপাদান। যেমন- লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম এবং পটাশিয়াম। এই উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ দূরে রাখতে সহায়তা করে।

৫. গলার সমস্যা যেমন- কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস করা দূর করতে সাহায্য করে গুড়।

৬. শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কফ, বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে গুড়।

৭. গুড় রক্ত পরিষ্কার করতে করে।

৮. গুড় রক্তে হিমোগ্লবিনের মাত্রা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য সহায়তা করে।

৯. পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস এবং খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে গুড়।

১০. শীতের শুষ্ক, ঠাণ্ডা আবহে জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে বাঁচাতে গুড় অত্যন্ত কার্যকরী।

উপরোক্ত উপকারগুলো পেতে হলে অবশ্যই খাটি গুড় খেতে হবে। কেননা গুড়ের বাজার কিন্তু ভেজাল গুড়ে সয়লাভ।

Compare
Be the first to review “আখের গুড়”

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Reviews

There are no reviews yet.

Vendor Information

  • Address:
  • 4.07 rating from 58 reviews
    00

শপিং ক্যাটাগরি